• রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ

দিনাজপুর প্রেসক্লাবে খালা-খালুর বিরুদ্ধে ভাগিনার সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক, দিনাজপুর / ৯৭ জন দেখেছেন
আপডেট : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

দলের প্রভাব খাটিয়ে মায়ের দলিলকৃত রুম ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
দখলে নেয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ খালা ও খালুর বিরুদ্ধে
মায়ের দলিলকৃত একটি রুম দলের প্রভাব খাটিয়ে দখলে নিয়ে এবং বাকী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিজের কবজায় নেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে ষড়যন্ত্র করে আসার অভিযোগ উঠেছে আপন খালা ও খালুর বিরুদ্ধে।

গতকাল সোমবার দুপুরে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার উচিতপুর গ্রামের সাঈদ হোসেন বাবু।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত এপ্রিল দিনাজপুর প্রেসক্লাব কাহারোল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির মজুমদার ও কাহারোল উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহব্বায়ক রাবেয়া মজুমদার কর্তৃক আমার উপর আনিত অভিযোগের প্রতিবাদ হিসেবে আপনাদের মাধ্যমে কাহারোলবাসীসহ দেশবাসীকে সত্য ঘটনা জানানোর জন্য আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। আমার উপর আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট এবং আমার সম্মান ক্ষুন্ন করার হীন প্রয়াসে মিথ্যা ঘটনা রটিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে রাবেয়া মজুমদার ও হুমায়ুন কবির মজুমদারের বাড়ি সংলগ্ন আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আমার কিন্তু কোন কিছুতে সফল হতে না পেরে রাবেয়া মজুমদার আমার উপর নেশার অভিযোগ আনে যাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা, রাবেয়া মজুমদার আমার আপন খালা হওয়ায় আমি নির্যাতিত হওয়া সত্ত্বেও প্রতিবাদ করিনি। রাবেয়া মজুমদার তার বাড়ীর পাশ দিয়ে আমাকে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যেতে হয়, তাই পথিমধ্যে সব সময় আমাকে উদ্দেশ্যে করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এর প্রতিবাদ করলে রাবেয়া মজুমদারের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। কিন্তু তাই বলে ছোট জিনিসটিকে ষড়যন্ত্র করে আমার সম্মানহানী করার জন্য মিথ্যা অপবাদে লিপ্ত হয়েছেন। রাবেয়া মজুমদার একজন দুধর্ষ ও দাঙ্গাবাজ মহিলা হিসেবে এলাকায় চিহ্নিত। রাবেয়া মজুমদার ও হুমায়ুন কবির মজুমদার বিগত সময়ে প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতা হওয়ার কারনে স্বামী ও স্ত্রী যোগসাজসে কাহারোলের সাধারন মানুষকে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি ও হয়রানী করে আসছিল। হুমায়ুন কবির মজুমদার তার দাঙ্গাবাজ স্ত্রীকে দিয়ে সুদের ব্যবসা পরিচালনা করে বিভিন্ন সাধারন মানুষের কাছে ব্যাংক চেক ও স্ট্যাম্পসহ জমির দলিল নিয়ে টাকা প্রদান করে। সেই টাকা সময়মত দিতে না পারলে ভিটেমাটি ও অনান্য জিনিস নিজের করে নিয়ে তাদের সর্বস্ব করে দেয়।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিগত সময়ে বিভিন্ন মানুষের কাছে চাকরি ও ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে। ভুক্তভূগিরা টাকা চাইতে গেলে তাদের অপমান অপদস্ত করে। রাবেয়া মজুমদার ও হুমায়ুন কবির মজুমদার বর্তমানে যে বাড়ীতে বসবাস করে সেই বাড়ী হাটের সরকারি জায়গা দখল করে বাড়ী করেছেন। আওয়ামীলীগের প্রভাব খাটিয়ে হুমায়ুন কবির মজুমদার হচ্ছে একজন নারী পিপাসু লোভী লম্পট মানুষ। যার মাধ্যমে বাড়ীর কাজের লোক থেকে শুরু করে রাস্তার পাগলি পর্যন্ত গর্ভপাত হয়েছেন। পরবর্তীতে স্থানীয় শালিসের মাধ্যমে টাকা দিয়ে মিমাংসা করা হয়েছে। এমন অসংখ্য নারীকে কেলেংকারীর সাথে হুমায়ুন কবির মজুমদার জড়িত যা আপনারা কাহারোলে গিয়ে খোজ খবর নিয়ে জানতে পারবেন। হুমায়ুন কবির মজুমদারের বর্তমানে আমার খালা রাবেয়া মজুমদার ছাড়াও আরেকজন স্ত্রী রয়েছে। যার একটি কলেজে পড়ুয়া ছেলে সন্তান রয়েছে। এর বাইরেও গোপনে অনেক নারীর সাথে তার অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে।
বিগত সময়ে স্বামী-স্ত্রী আওয়ামীলীগের দাপটে যে সকল অন্যায় অপকর্ম করেছে তার সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন
bdit.com.bd