• সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
দিনাজপুর মহিলা পরিষদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে গ্রাহক ফোরামের মানববন্ধন জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন কালেক্টরেট স্কুল দিনাজপুরে কালেক্টরিয়ান জ্ঞান বিজ্ঞান ও বির্তক উৎসব অনুষ্ঠিত দিনাজপুর ইনস্টিটিউটের ৩৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত স্কুল ফিডিং কার্যক্রম বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে-দিনাজপুর বেকারী মালিক সমিতি ‘শব্দে গৈরিক তরঙ্গ’ কবিতা গ্রন্থের পাঠ উন্মোচন  শিশু রামিসা ধর্ষন হত্যাকান্ডে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে দিনাজপুরে  মানববন্ধন  কাজের যোগ্যতার মাপকাঠি নির্ভর করে দক্ষতার উপর -এডিসি শিক্ষা ঘোড়াঘাটে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ৩

আটোয়ারীতে দুই দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৩০-৩৫ টাকা

হৃদয় কুমার, আটোয়ারী (পঞ্চগড়) সংবাদদাতা / ২২৭ জন দেখেছেন
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫

হঠাৎ করেই পেঁয়াজের বাজারে লেগেছে দামের তীব্র প্রতিযোগিতা। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা।

বৃহস্পতিবার (‌১১ডিসেম্বর) পঞ্চগড়ের আটোয়ারী বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ১৩৮ থেকে ১৪৫ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর খুচরা বাজারে এই পেঁয়াজ বিক্রি হতে দেখা যায় ১৬০ টাকা কেজিতে।

বৃহস্পতিবার আটোয়ারী বাজার মোঃ বাবুল ইসলাম কৃষি বাজারের পেঁয়াজের আড়ত এবং আটোয়ারী বাজারে খুচরা ও পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে।

আটোয়ারী বাজার মোঃ দুলাল ইসলাম কৃষি বাজারের আড়তদার রফিক মিয়া জানান, ‘আজকে দেশি পেঁয়াজ ছোটটা ১৩৮ টাকা কেজি আর বড়টা ১৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। দুই দিন ধরে পেঁয়াজের দাম অনেক বেশি।’

তিনি আরও জানান, গত সোমবার একই পেঁয়াজ ১১০ থেকে ১১৫ টাকা দরে বিক্রি হতো।

একই বাজারের আরেক আড়তদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আজকের তুলনায় আগামীকাল আরও বেশি দামে বিক্রি হবে। আমরা যেখান থেকে পেঁয়াজ ক্রয় করি সেখানে (পাইকারি হাটে) ৫৮০০ থেকে ৬০০০ টাকা মণ বিক্রি হচ্ছে।’

ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ সংকটের কারণেই পুরোনো পেঁয়াজের দাম এমন চড়া হয়েছে। তাদের মতে, পাইকারি দাম বেশি থাকায় খুচরা বাজারেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা গেলে দাম কিছুটা কমবে। আড়তদাররা জানান, ভারত ইতিমধ্যে আমদানি করার জন্য বন্দরগুলোতে পেঁয়াজ এনে রেখেছে, শুধু আমদানির অনুমতি দিলেই দাম কমে যাবে।

আটোয়ারী বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা আমজাদ হোসেন বলেন, ‘নতুন পেঁয়াজ এখনও বাজারে আসেনি। দেশি পেঁয়াজ যেটা আসছে, সেটার মানও খুব বেশি ভালো না। সরবরাহ কমে যাওয়ায় পাইকারি পর্যায়ে গত দু-তিন দিন ধরেই দাম বাড়ছে। এই দাম নতুন পেঁয়াজ না আসা পর্যন্ত কমবে না।’

বিভিন্ন পেঁয়াজের খুচরা ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা গেছে। খুচরা ক্রেতা মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ‘গত সপ্তাহে যে পেঁয়াজ কিনেছিলাম ১১৫ টাকা দিয়ে, আজকে কিনছি ১৫৫ টাকা। সরকারের এদিকে নজর দেওয়া দরকার। ভারতের পেঁয়াজ আমদানি করলে আমাদের পেঁয়াজের দাম কমে যাবে।’

জানা গেছে, সাময়িক এই অস্থিরতা ঠেকানোর জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ৫০০ টন পেঁয়াজ আমদানি করতে চেয়েছিল, কিন্তু কৃষি মন্ত্রণালয় তাতে বিরোধিতা করে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুক্তি ছিল, নভেম্বরের মাঝামাঝিতেই নতুন উৎপাদিত দেশি পেঁয়াজ বাজারে আসবে। কিন্তু প্রক্ষেপণের প্রায় মাসখানেক সময় পেরিয়ে গেলেও বাজারে দেশি পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই। এ কারণে বাজারে আবার অস্থিরতা শুরু হয়েছে।

এ দিকে, বাজারে পাতাসহ নতুন পেঁয়াজ অল্প পরিমাণে আসতে শুরু করেছে, যা ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে চড়েছে পুরোনো দেশি পেঁয়াজের দাম, যা ক্রেতাকে কিনতে হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকা দরে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন
bdit.com.bd