• শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ

উদীচী দিনাজপুরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সত্য ঘোষ এর পরলোকগমন

রফিক প্লাবন, দিনাজপুর: / ১৭৬ জন দেখেছেন
আপডেট : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী দিনাজপুর জেলা সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট গণসংগীতশিল্পী সত্য ঘোষ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরলোকগমন করেছেন (দিব্যান লোকান স গচ্ছতু)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দিনাজপুর শহরের চকবাজারস্থ স্বর্গীয় মনীন্দ্র নাথ ঘোষ ও স্বর্গীয় ভালবাসা ঘোষ এর তৃতীয় পুত্র সত্য ঘোষ দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য ফুসফুস জনিত জটিল রোগে ভুগছিলেন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ পুত্র সন্তান, ৪ ভাই ও ৫ বোনসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টায় তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্নের উদ্দেশ্যে চকবাজারস্থ বাসভবন হতে ফুলতলা কেন্দ্রীয় শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হবে। এর আগে সকাল ৯ টায় উদীচী দিনাজপুর জেলা সংসদ কার্যালয় “সত্যেন সেন ভবনে” মরদেহ রাখা হবে সবার শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য। তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া কার্যক্রমে অংশ নেবার জন্য বন্ধু-বান্ধব আত্মীয়-স্বজন শুভাকাঙ্খীদের সানন্দা পরিবারের পক্ষ হতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সানন্দা অভিজাত মিষ্টি বিপনী’র অন্যতম কর্নধার সত্য ঘোষ এর মরদেহ দিনাজপুর শহরের চকবাজারস্থ বাসভবনে নিয়ে আসলে বিপুল সংখ্যক মানুষ তাকে এক নজর দেখার জন্য ভীড় জমায়। সেখানে এক হৃদয়বিদারক চিত্রের অবতারনা হয়।

উল্লেখ্য, দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক চিত্ত ঘোষ এর ছোট ভাই এবং অধীর ঘোষ, সুধীর ঘোষ, সমিরন ঘোষ এর বড় ভাই সত্য ঘোষ ছাত্রাবস্থা থেকেই বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী দিনাজপুর জেলা সংসদ ও ঢাকা মহানগর সংসদের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। পাশাপাশি তিনি প্রগতিশীল বামপন্থী ছাত্র রাজনীতির সাথেও জড়িত ছিলেন। উদীচী’র একনিষ্ঠ কর্মী থেকে পর্যায়ক্রমে দিনাজপুর জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট দিনাজপুর জেলা কমিটির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। গণসংগীতে অসাধারণ দরাজ কণ্ঠের জন্য তিনি ‘দিনাজপুরের ভুপেন হাজারিকা’ খ্যাতি পেয়েছিলেন। এছাড়া তিনি দিনাজপুর চেম্বারের সাবেক নির্বাহী সদস্য ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন
bdit.com.bd