দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তমালিকা পাল বলেছেন জিও-এনজিও সকলে মিলে জাতিগত বৈষম্য দূরিকরণের মাধ্যমে দলিত জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় আনতে হবে। তবে তাদের অবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হলে তাদের সন্তানদের পড়াশোনা করিয়ে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। আপনারা জানেন আমাদের দেশের সংবিধান জাতিগত বৈষম্য বিশ্বাস করে না। তাই নিজেদের উন্নয়ন ঘটাতে হলে নিজেদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে। আপনাদের সাথে প্রশাসন থাকবে।
দিনাজপুর সদর উপজেলা পরিষদ এর সভাকক্ষে ঝানজিরা সমাজ কল্যাণ সংস্থা (জেএসকেএস) এর আয়োজনে এবং মানুষের জন ফাউন্ডেশন ও ক্রিশ্চিয়ান এইড এর সহযোগিতায় দলিত ইয়ুথ ফর ডিগনিটি (ডিওয়াইডি) প্রকল্পের আওতায় সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয় সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন।
জেএসকেএসএর নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা কামাল এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ বোরহান উদ্দিন, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর দিনাজপুরের উপ-পরিচালক মোর্শেদ আলী খান, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার গোলাম আজম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আবুল কালাম আজাদ।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এসইউপিকের নির্বাহী পরিচালক মোঃ মোজ্জাফর হোসেন, দলিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি দিলচাঁদ, রবি দাস, অধিকার কেন্দ্রের সভাপতি হরিদেব, সাধারণ সম্পাদক রাজ কুমার, মহিলা সম্পাদিকা চম্পা রানী ও নির্বাহী সদস্য রাস মনি দাস।
সভাপতির বক্তব্যে জেএসকেএসএর নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা কামাল বলেন, এই প্রকল্পের অধিকার কেন্দ্রের মাধ্যমে দলিত জনগোষ্ঠির সদস্যদের সামাজিক কর্মকা- বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় দুইশত জন দলিত যুবদের নেতৃত্বের বিকাশ ঘটেছে। তবে চ্যালেঞ্জও রয়েছে। যেমন তাদের বিকল্প জীবিকার সুযোগ কম, সামাজিকভাবে দলিত জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এজন্য এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন প্রোগাম কো-অর্ডিনেটর মর্জিনা রূপা। সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন ইভেন্ট অরগানাইজার সাইফুল আলম।