• শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
চুড়িপট্টিতে জায়গা দখলে দ্রুত বিচার আইনে মামলায় পিবিআই-এর তদন্ত প্রতিবেদন দিনাজপুর রোটারি ক্লাবের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ছাগল, হুইল চেয়ার ও ফলজ গাছ বিতরণ করলেন শহর সমাজসেবা অফিসার খানসামায় ইজিবাইক ও গরুবাহী টেম্পুর মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত প্রশাসনের সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে অ্যাডভোকেসি প্লাটফর্ম সভা জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে অত্যাধুনিক ডায়ালাইসিস মেশিনের উদ্বোধন অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত বীরগঞ্জে ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে ডাম্পিং কম্পোস্টিং ষ্টেশন হেমায়েত আলি স্মরণে দিনাজপুরে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ও পূণঃতফসিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

চুড়িপট্টিতে জায়গা দখলে দ্রুত বিচার আইনে মামলায় পিবিআই-এর তদন্ত প্রতিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক, দিনাজপুর / ১৬ জন দেখেছেন
আপডেট : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬

দিনাজপুর শহরের চুড়িপট্টিতে জোরপূর্বক জায়গা দখল করায় দ্রুত বিচার আইনে মামলার মুল আসামী নওশাদ ইকবাল কলিংস এর বিরুদ্ধে পিবিআই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

গেল ২০২৪ সালের ২৮ আগষ্ট পিবিআই/দিনাজ/২৮৪৯ স্বারক নম্বরে দিনাজপুর পিবিআই এর উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. বিরাজ উদ্দিন স্বাক্ষরিত তদন্ত প্রতিবেদনটি আইন-শৃঙ্খলা বিঘœকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আদালতের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করেন। দ্রুত বিচার আইনে সিআর মামলা নং-১৪/২০২৩। বিজ্ঞ আদালতের স্মারক নং-৭০৯/২৩, তারিখ-২৩/০৭/২০২৩।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,নালিশি তপশিলভুক্ত অর্থাৎ দিনাজপুর পৌরসভাধীন প্রাণনাথপুর মৌজার জে,এল নং-৬৩ এর খতিয়ান নং-সিএস-৬৬২, ৬৬৩ ও ৬৫৬, এসএ-৭৬৫ ও ৭৬৬, আর,এস-৩২৮৯/১, হিসাব নং-৩২৮৯/১ এর অর্ন্তভুক্ত আর, এস-৪৮৪০, সিএস/এস,এ-১৭১৬ ও ১৭১৮ দাগের ০.০৫৩৪ একর এবং আর,এস-৪৮৩৭, সিএস/এস.এ-১৭১৪ দাগের ০.০৩২৮ একর সহ মোট ০.০৮৬২০ একর (আট শতক ছয়শত বিশ) বাড়িসহ খাস জমিটি দখল মামলার বাদী মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (৩০) দিনাজপুর পৌরসভার চুড়িপট্টি এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। অপরদিকে বিবাদী ১নং নওশাদ ইকবাল কলিন্স (৪৫) একই পৌরসভাধীন ঘাসিপাড়া এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। ২নং মো.আল হেলাল ফে হেলাল (৪০), ৩নং মো.বেলাল (৪৫), ৪নং মোঃ সাইদুর রহমান (৫৫), ৬নং লিপি (৪৮) ৭নং সাইদা বেগম (৫৫)-গণ পরস্পর ভাই বোন। ৫নং মোছা.আফরোজা (৩৬) ২নং বিবাদীর স্ত্রী।

মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, গেল ২০২৩ সালের ১৯ জানুয়ারি দিনাজপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল নম্বর ৬৭৫/২০২৩ মূলে জমিটির মুল মালিক আজিজার রহমানের বর্তমান ওয়ারিশগণ এই মামলার আরজি বর্ণিত বিবাদী ২নং মো.আল হেলাল ওরফে হেলাল (৪০),৩নং মো.বেলাল (৪৫),৪নং মো.সাইদুর রহমান (৫৫),৫নং মোছা.আফরোজা (৩৬),৬নং লিপি (৪৮) এবং ৭নং সাইদা বেগম (৫৫) সহ আরো ৪ জন ওয়ারিশগণ তাদের মালিকানাধীন (উল্লিখিত তপশিলভুক্ত জমিসহ) এই মামলার আরজি বর্ণিত ১নং বিবাদী নওশাদ ইকবাল কলিন্স (৪৫) গং এর নিকট বিক্রি করে। এরপর গেল ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টারয় বুলডোজার মেশিন নিয়ে মুখোশ পড়া অজ্ঞাতনামা ৪০/৫০ জন (হিজরা গোষ্ঠীসহ অন্যান্য লোকজন) সহ আরজি বর্ণিত ১নং বিবাদী নওশাদ ইকবাল কলিন্স (৪৫) তার ক্রয়কৃত জমি দখল করতে আসে এবং উক্ত জমিতে থাকা পুরাতন বিল্ডিং বাড়ি বুলডোজার মেশিন দিয়ে ভাঙ্গচুর করতে থাকে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মামলার আরজি বর্ণিত ১নং বিবাদী নওশাদ ইকবাল কলিন্স (৪৫) এর ক্রয়কৃত জমির একাংশে এই মামলার বাদীপক্ষ বসতবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। এমতাবস্থায় ঘটনার দিন ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ দিবাগত রাত সাড়ে ১২ হতে রাত ৩টা পর্যন্ত ১নং বিবাদী নওশাদ ইকবাল কলিন্স (৪৫) এর নেতৃত্বে এবং প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে মুখোশ পড়া অজ্ঞাতনামা ৪০/৫০ জন (হিজরা গোষ্ঠীসহ অন্যান্য লোকজন) সহ কোন ধরণের বৈধ নোটিশ প্রদান না করেই পরিকল্পিত ও আকস্মিক ভাবে শক্তির মহড়া ও দাপট প্রদর্শন করে ভয়ভীতি ও ত্রাস সৃষ্টি, বিশৃঙ্খলা ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে নালিশি জমির একাংশে থাকা বাদীপক্ষের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে বাদীপক্ষের লোকজনকে বসতবাড়ি থেকে বের করে দিয়ে বসতবাড়িতে থাকা টিভি, ফ্রিজ, আসবাবপত্র, কাপড় চোপড়, খাট ও ব্যবহারিক তৈজসপত্রসহ যাবতীয় মালামাল বের করে নিয়ে যায়। এরপর বুলডোজার মেশিন দিয়ে বসতবাড়ির টিনশেড ইটের তৈরী পাঁকা চারটি রুম ভাঙ্গচুর করে সর্বমোট অনুমান ৭ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন করে মর্মে মামলাটি তদন্তকালে পাওয়া যায়। এতে ১নং বিবাদী নওশাদ ইকবাল কলিংস এর বিরুদ্ধে বাদীর আনিত অভিযোগ অর্থাৎ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৪/৫ ধারার অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

এছাড়াও ২নং বিবাদী মো. আল হেলাল ওরফে হেলাল (৪০), ৩নং বিবাদী মো.বেলাল (৪৫), ৪নং বিবাদী মো.সাইদুর রহমান (৫৫), ৫নং বিবাদী মোছা.আফরোজা (৩৬), ৬নং বিবাদী লিপি (৪৮) এবং ৭নং বিবাদী সাইদা বেগম (৫৫)-গণকে এই মামলার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার স্বপক্ষে কোন ধরণের সাক্ষ্য প্রমাণ ও তথ্য পাওয়া যায় নি। এছাড়া এই মামলার ঘটনায় জড়িত মুখোশ পড়া অজ্ঞাতনামা ৪০/৫০ জন (হিজরা গোষ্ঠীসহ অন্যান্য লোকজন)-কে সনাক্ত করা সম্ভব হয় নাই। এমনকি বাদী এবং সাক্ষীগণও এ সংক্রান্তে কোন সাক্ষ্য প্রমাণ বা তথ্য উপস্থাপন করতে পারেন নি বলে পিবিআই এর তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন
bdit.com.bd