• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি’র মানবিক উদ্যোগ দিনাজপুর খাদ্যশস্য আড়ৎদার মালিক গ্রুপে রক্তিম-ডাবলু-সুকর্ণ পরিষদের জয়লাভ দলিত জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের স্রোতধারায় আনতে হবে -ইউএনও তমালিকা পাল দিনাজপুরে অস্ত্রহীন যুদ্ধের ম্যানিফেস্টো গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন  হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়ার শ্রদ্ধেয় বড় ভাইয়ের মৃত্যুতে জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের শোক উৎসবের উল্লাসের আড়ালে ৫০–৭০ কোটি টাকার ক্ষতির হিসাব অভিনয়ে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম কাহারোলের তোফা কুর্রায়েশী দিনাজপুরে দশ ভিক্ষুককে পুনর্বাসনে নগদ অর্থ বিতরণ একটি হুইল চেয়ারের আকুতি কোলে বন্দী আয়াতের শিশু ও নারীর প্রতি সহিংসতা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন

কাহারোলে বোরো ধান কাটা মাড়াইয়ে ব্যস্ত কৃষক

এম এ জলিল শাহ, কাহারোল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি / ১৪৯ জন দেখেছেন
আপডেট : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান কাটা মাড়াই করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন উপজেলার কৃষকরা। কৃষি শ্রমিকের দ্বিগুন দাম দিয়ে বোরো ধান কাটতে হচ্ছে বোরো চাষীদের।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে বোরো ধান কাটা ও মাড়াই করছেন কৃষকেরা। কাহারোল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলায় ৫ হাজার ৫শত ৮০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে।

উপজেলার ডাবোর ইউনিয়নের চামদুয়ারী গ্রামের মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, এবার তিনি ৩ একর জমিতে বোরো ধান চাষ করেছেন। ব্রী-ধান-৮৮ জাত আবাদ করেছি ১ একর। ধান কাটা মাড়ায় করা হচ্ছে কিন্তু বাজারে ধানের দাম কম ও কৃষি শ্রমিকের দাম গত বছরের তুলনায় প্রায় এবার দ্বিগুন হয়েছে। তিনি বলেন, গতকাল সকাল সাড়ে ৬টায় উপজেলার আমতলা মোড়ে পুরুষ কামলা হাজিরা নিয়েছি ৭৫০ টাকা আর মহিলা কামলা নিয়েছি ৫২০টাকা। প্রতি বিঘায় ধান উৎপাদন হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ মন। বাজারে প্রতি মন ধান বিক্রি হচ্ছে ৯শত টাকা। ১ বিঘা ধান বিক্রি করে টাকা পাওয়া যাচ্ছে ৩৭ থেকে ৩৮ হাজার টাকা। প্রতি বিঘা ধান লাগানো থেকে শুরু করে এখন কাটা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে ২৬ থেকে ২৭ হাজার টাকা। গত বছর ধান বিক্রি করে পাওয়া গেছে প্রতি বিঘায় ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা। এবার পাওয়া যাচ্ছে ৩৭ থেকে ৩৮ হাজার টাকা। তাই এবার বোরো ধান চাষ করে কৃষকের লোকসান গুনতে হচ্ছে।

একই এলাকার কৃষক রবিন জানান, প্রতিটা জিনিসের দাম বেশি থাকায় বোরো ধান আবাদ করে লাভ থাকেনা বরঞ্চ লোকসান গুনতে হচ্ছে কৃষককে। বর্গা চাষীদের জন্য আরো ক্ষতির বিষয় হচ্ছে প্রতি বিঘা জমি ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকায় চুক্তি নেওয়ার ফলে বোরো চাষ করে লাভবান হতে পারছেন না।

কাহারোল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ জাহিদুর রহমান বলেন, এবার কিছুটা কৃষি উপকরণের দাম বেশি। তবে বাজারে ধানের দাম কয়েকদিনের মধ্যে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকেরা যদি ধান শুকিয়ে রাখে তাহলে বোরো চাষে লাভবান হবেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরো জানান, কৃষি বিভাগ কৃষকদের বোরো চাষে সকল প্রকার কৃষকদের সহযোগীতা ও পরামর্শ দিয়েছিলেন উন্নত জাতের ধান লাগানোর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন
bdit.com.bd