• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কাহারোলে আইন শৃখলা বিষয়ে সভা ও জিআর চাল বিতরণ ব্রাত্যজনের কথাকার শওকত আলী শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত মহালয়ার পুন্যতিথিতে মহাশক্তির আবহন অনুষ্ঠানে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এমপি দিনাজপুরে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত আই হসপিটালের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  দিনাজপুরে ইউনাইটেড কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিঃ এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে ‘ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি’ বাস্তবায়নে সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের মাঝে ট্যাব বিতরণ শিক্ষার মেরুদণ্ড শক্ত না হলে ভেঙে পড়বে জাতি-এমপি জাহাঙ্গীর  দিনাজপুরে বর্ণাঢ্য গোলাপী সড়ক শোভাযাত্রা দিনাজপুর লায়ন্স ক্লাবের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

শীতকালীন সবজির বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত কৃষকরা 

আজহারুল ইসলাম সাথী, ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি / ৫১২ জন দেখেছেন
আপডেট : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
শীতকালীন সবজি সংগৃহীত ছবি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত সবজি চাষিরা। উপজেলায় চলতি মৌসুমে শীতকালীন সবজির বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন কৃষকেরা। শীতের শুরুতেই মাঠ পর্যায়ে কম দামে সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হলেও বাজারে সেই সবজিই বিক্রি হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি দামে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা পাইকারদের কাছে ফুলকপি বিক্রি করছেন ৮ থেকে ১০ টাকা, বাঁধাকপি ৬ থেকে ৮ টাকা এবং শিম ১৫ থেকে ২০ টাকা আলু ১৫ থেকে ২০ টাকা বেগুন ২০ থেকে ২৫ টাকা লাউ ১৫ থেকে ২০ টাকা অন্যন্য শবজিসহ দাম চরা দামে বিক্রয় করছে। কৃষকরা এতে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা। উপজেলার কৃষক হারুন, সৈয়কত বলেন, বীজ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের খরচ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। কিন্তু সবজির দাম বাড়েনি। এতে লোকসান গুনতে হচ্ছে।

উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, মাঠ পর্যায়ে কম দামে কেনা সেই সবজিই খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে দ্বিগুণ বা তারও বেশি দামে। এতে ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এক ক্রেতা বলেন, কৃষকেরা কম দামে বিক্রি করলেও আমাদের কিনতে হচ্ছে বেশি দামে। মাঝখানে কারা লাভ করছে, তা বুঝতে পারছি না। কৃষিখাত সংশ্লিষ্টদের মতে, একাধিক মধ্যস্বত্বভোগী, পরিবহন সংকট এবং সংরক্ষণ সুবিধার অভাবে কৃষক ও ভোক্তার মধ্যে দামের এই বড় ব্যবধান তৈরি হচ্ছে।

ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষিবিদ মোঃ রফিকুজ্জামান জানান, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে বাজার ব্যবস্থাপনায় আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষক বাজার চালু, পাইকারি বাজারে নজরদারি বৃদ্ধি এবং কৃষক সমবায় গড়ে তোলা গেলে এই সংকট অনেকটাই নিরসন সম্ভব। বাম্পার ফলনের সুফল কৃষকের ঘরে পৌঁছাতে না পারলে কৃষি খাতের টেকসই উন্নয়ন ব্যাহত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন
bdit.com.bd