আসন্ন শারদীয় দুর্গা পূজাকে সামনে রেখে প্রতি বছরের মত এবারও গণেশতলা বারোয়ারী সমিতি রথখোলা দুর্গা মন্দির, রায়সাহেব বাড়ীর আয়োজনে দেবীপক্ষের শুভ সূচনায় মহালয়ার পুন্যতিথিতে মহাশক্তির আবহন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে শনিবার রাতে রায়সাহেব বাড়ী মাঠে।
গণেশতলা বারোয়ারী সমিতি, রথখোলা দুর্গা মন্দিরের সভাপতি সুশীল চন্দ্র দাস এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেব বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর সদর-৩ আসনের এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। উদ্বোধক হিসেবে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রামকৃষ্ণ মিশন ও আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী বিভাত্মানন্দ মহারাজ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পুজা কমিটির সাধারন সম্পাদক বিপ্লব কুমার বাপ্পি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট্য শিক্ষাবিদ ড. মাসুদুল হক, রায়সাহেব বাড়ী এজেন্ট চিত্ত ঘোষ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মন্ডল বকুল, জেলা যুবদলের আহবায়ক একেএম মাসুদুল ইসলাম মাসুদ, কৃষকদলের আহবায়ক পাভেল ইসলাম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ঐক্য ফন্টের জেলা আহবায়ক উত্তম কুমার রায়, শারদা মন্দির কমিটির সভাপতি রত্না মিত্র, রেনেসাঁ ক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, বাসন্তি পূজা কমিটির সভাপতি মিন্টু ঘোষ, বুড়া কালি মন্দির কমিটির সাধারন সম্পাদক শান্ত গুহ। অনুষ্ঠানে কমিটি কর্তৃক দেয়া গরিব, অসহায় নারীদের মাঝে শারদীয় পূজা উপলক্ষ্যে শাড়ি বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ।
প্রধান অতিথি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ধর্ম যার যার বাংলাদেশ সবার। সব ধর্মের মানুষ তারা স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে।
উদ্বোধক হিসেবে শ্রীরামকৃষ্ণ আশ্রমের অধ্যক্ষ বিভাত্মানন্দ মহারাজ বলেন, সকল অশুভশক্তিকে বিনাস করতে মা মর্তে আসছেন। আমাদের সমাজ থেকে অশুভ শক্তিকে বিনাশ করে আনন্দমুখর পরিবেশে সকলের সহযোগিতায় দুর্গা পূজা উদযাপন করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে সুশীল চন্দ্র দাস বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য এবার পুজার ছুটি ও অনুদানের বরাদ্দ বাড়িয়ে দিয়েছেন। আমরা কমিটির পক্ষ থেকে তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন নৃসিংহ বিশ্বাস পলক।
সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন কমিটির সহ-সভাপতি রণজিৎ দত্ত। আলোচনা সভা শেষে মহালয়ার উপর এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শিল্পীরা পরিবেশন করেন।