দিনাজপুরে বাছুর প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে দিনাজপুর জেলায় ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের সিমেন ব্যবহার করে উৎপাদিত উক্ত বাছুর প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
১১ মে সোমবার দিনাজপুর সদর উপজেলার শশরা ইউনিয়নের ফাঁসিলাডাঙ্গা মাঠে বাছুর প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। গবাদিপশুর জাত উন্নয়নের মাধ্যমে দুধ ও মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছরের ন্যায় এবারো সারা দেশব্যাপী উক্ত বাছুর প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুর রহিম। বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রাণীসম্পদ সরকারি ও বেসরকারি বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করে থাকি। আমরা চাই যে, প্রাণিসম্পদ বিভাগ দুধ, মাংস ও ডিম তিনটি আমিষ যোগান দিয়ে থাকি। এর মধ্যে দুধের ঘাটতি মেটাতে অবশ্যই আমাদের উন্নতজাতের গবাদিপশু লালন পালন করতে হবে। আর এ জন্য কৃত্রিম প্রজননের দিকে নজর দিতে হবে।

এছাড়াও বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের উপ পরিচালক ডা. মাহফুজা খাতুন, থেরিওজেনোলজিস্ট আব্দুস সালাম, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোছা. শাহিনা বেগম ও ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার ডা. মো. এরমান আলী।
ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজ প্রধান কার্যালয়ের লাইভস্টক সার্ভিস এন্ড ট্রেনিং ম্যানেজার ডা. মো. মতিউর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার ডা. মো. এরমান আলী। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ভেটেরিনারি সার্জন ডা. আল হেলাল মন্ডল, ডা. মো. সাকিব আহমেদ, ডা. মো. ওবায়দুল্লাহ আল মাসুম ও এরিয়া সেলস ম্যানেজার ডা. মো. মারুফ হোসেন।
অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের সিমেন ব্যবহারকারী শ্রেষ্ঠ ৩০ জন খামারিকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এছাড়াও কৃত্রিম প্রজনন বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে “সুখের খনি” শীর্ষক নাটক মঞ্চস্থ করা হয় বাছুর প্রদর্শণীতে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনকারী খামারি মো জুলফিকার আলী, মো. মোতাহার হোসেন, আবদুস সবুর, মোশারফ বলেন, বাছুর প্রদর্শনীতে প্রতিবারই অংশ নিয়ে থাকি। আমরা অনেকেই চাকুরীর পাশাপাশি খামারের কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে উন্নত জাতের গরু লালন পালন করে থাকি। আর এভাবেই দুধের চাহিদা মেটাতে পারছি আমরা।