বাংলাদেশের ছয় ঋতুর গুরুত্বপূর্ণ রীতি হল শরৎকাল। শরৎ ঋতুতে মেঘ যেমন ছেঁড়া ছেঁড়া হয় মানুষের মনও উদাসী হাওয়ায় ভাসে। শরৎ আসলে কবিতা উজ্জীবিত হয়। কবিরা লেখার অনেক কিছু রসদ খুঁজে পান। শরৎ এলে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকেও অনেক বেশি বেশি মনে পড়ে। কারণ তাঁর নানান লেখায়, নানান কবিতা ও গানে উজ্জীবিত আছে শরৎ।’
দিনাজপুর লেখক ফোরাম আয়োজিত শরৎ সাহিত্য আসরে আলোচনা করতে গিয়ে এমনই অভিমত ব্যক্ত করেছেন দিনাজপুরের গুণী লেখক, গবেষকগণ।
গেল রোববার সন্ধ্যায় দিনাজপুর শহরের শুইহারিস্থ সদানন্দ সাধারণ গ্রন্থাগার এর সহযোগিতায় শরৎ সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত হয়।
ফোরামের সভাপতি আজহারুল আজাদ জুয়েল এর সভাপতিত্তে এবং সাধারণ সম্পাদক কবি অদিতি রায়ের সঞ্চালনায় আলোচনা করেন প্রফেসর জলিল আহমেদ, প্রফেসর মোজাম্মেল বিশ্বাস, গবেষক আলী ছায়েদ, কবি বাসব রায়, উপন্যাসিক লায়লা চৌধুরী, কবি ও দৈনিক উত্তর বাংলার নির্বাহী সম্পাদক জিনাত রহমান, কবি রেজা হক, আবু বকর সিদ্দীক, অ্যাডভোকেট রাবেয়া খাতুন রানু এবং সদানন্দ সাধারণ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা সনৎ চক্রবর্তী লিটু প্রমুখ। স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন ইয়াসমিন আরা রানু, মাসুদা খাতুন, সামাহা সিদ্দিকা এঞ্জেলা, রিতা হেমব্রম, দেবনাথ দাস, মজেল উদ্দিন, তুষার শুভ্র বসাক, কাওকাবুন নেছা, মিজানুর রহমান (ডোফুড়া), মানিক চন্দ্র সরকার,, রাকিউর রহমান পায়েল, বিপ্লব চন্দ্র রায় প্রমুখ।
সংগীত পরিবেশন করেন মিনা সুলতানা, রিতা হেমব্রম, মকিদ হায়দার শিপন, সারাবান তহুরা মৌমিতা, দেবনাথ দাস, মিনু রানী রায়, মেহনুমা বিনতে রাহাত প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে কয়েকজন লেখক তাদের স্বরচিত বই সদানন্দ লাইব্রেরীতে উপহার দেন। উপহার গ্রহণ করেন লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতা সনৎ চক্রবর্তী লিটু।
অনুষ্ঠান শেষে দিনাজপুর লেখক ফোরামের নির্বাহী পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগামী নভেম্বরে দিনাজপুর লেখক ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে একটি স্মরণিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্মরণিকার সম্পাদক হিসেবে দিনাজপুর লেখক ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবি তুষার শুভ্র বসাক কে মনোনীত করে একটি উপ কমিটি গঠন করা হয়।
এছাড়া লেখক ফোরামের সাংস্কৃতিক সম্পাদক রাকিউর রহমান পায়েলকে আহ্বায়ক করে একটি প্রতিযোগিতা উপ কমিটি গঠন করা হয়।