• রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
দিনাজপুর জেলা বিএনপির দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় দরিদ্র কৃষক কন্যা নুরে জান্নাতের জিপিএ-৫ অর্জন  বীরগঞ্জে ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা  দিনাজপুরে উজানভাটি সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হরিপুর সীমান্তে ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট আটক দিনাজপুর ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি অতর্কিত হামলার শিকার হেমায়েত আলীর ৫৭ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ তদন্তে দুদক দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দিনাজপুর লেখক ফোরামের সাহিত্য আড্ডা বয়স্ক-বিধবা ও প্রতিবন্ধীসহ বিভিন্ন ভাতায় আবেদন শেষ ১৫ আগস্ট

এসএসসি পরীক্ষায় দরিদ্র কৃষক কন্যা নুরে জান্নাতের জিপিএ-৫ অর্জন 

আজহারুল আজাদ জুয়েল, দিনাজপুর / ৪১ জন দেখেছেন
আপডেট : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
Oplus_131072

দিনাজপুরের প্রত্যন্ত এলাকার এক দরিদ্র কৃষক কন্যা নুরে জান্নাত এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। তার স্বপ্ন আছে ডাক্তার হওয়ার। কিন্তু অভাব অনটনের মধ্যে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে পরিবারের অন্যান্যদের।

 

নুরে জান্নাত দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রাম নিবাসী এক দরিদ্র কৃষকের কন্যা। পিতার নাম বাচ্চু, মায়ের নাম নাসরিন আক্তার । পিতা মাতার দারিদ্রতার কারণে নানীর বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করতেন নুরে জান্নাত। তার নানির বাড়ি দিনাজপুর সদর উপজেলাধীন ৪নং শেখপুরা ইউনিয়নের খামারকান্তবাগ গ্রামে। এই গ্রামের একদিকে আছে বিশালায়তন সুখসাগর দিঘি। অন্য দিকে আছে গাবুরা নদী। নদী ও দীঘির মাঝখানে নানির বাড়ি। নানীর নাম লায়লা আজিজ রোজী। নানার নাম কুতুবুদ্দিন আইবেগ। মো বাচ্চু একজন সাধারণ কৃষক। সংসারের আয় উন্নতির জন্য মাঝে মাঝে ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সাও চালান। পিতা হিসেবে মাঝে মাঝে কিছু খরচ পাঠালেও নুরে জান্নাতের অধিকাংশ খরচ নানা-নানী, মামারা চালাতেন। দিনাজপুর শহরের জুবলি উচ্চ বিদ্যালয় হতে বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছিলেন নূরে জান্নাত। ১১ সাবজেক্ট এর মধ্যে ৯টিতে এ প্লাস এবং ২টিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে এই কৃতি শিক্ষার্থী। নানা-নানি মামা-মামী পিতা-মাতা খুবই খুশি নুরে জান্নাতের এই ফলাফলে। কিন্তু নূরে জান্নাতে যে স্বপ্ন রয়েছে ডাক্তার হওয়ার,অর্থনৈতিক কারণে তা পূরণ করতে পারবেন কিনা তা তারা জানেন না।

 

নুরে জান্নাতের নানী রোজী বলেন,আমরা নিজেরাই চাষাবাদ করে খাই। আমাদের জামাই তারাও চাষাবাদের মধ্যেই থাকেন। কিন্তু এতদিন কষ্ট করে নাতনিকে লেখাপড়ার খরচ জুগিয়েছি। সামনে কলেজে ভর্তি হলে তার খরচ আরো বাড়বে। কিন্তু আমাদের আশঙ্কা রয়েছে আমরা সেটা চালাতে পারব কিনা।

 

জিপিএ-৫ পাওয়া নুরে জান্নাত বলেন, আমার ইচ্ছে ডাক্তার হব। ডাক্তার হওয়ার লক্ষ্যেই পড়াশোনা করব। কিন্তু আমরা তো দরিদ্র। তাই জানিনা শেষ পর্যন্ত কি হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন
bdit.com.bd