দিনাজপুর ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ও পূণঃতফসিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী শাহনেওয়াজ ফিরোজ শুভ শাহ্।
আজ সোমবার বিকেলে দিনাজপুর ইনকাম ট্যাক্স কর কমিশনারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন তিনি। এ সময় তার সাথে সহ-সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী এ্যাড. মো: আব্দুল হাকিম উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দিনাজপুর ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন কমিশনার পক্ষপাদমূলক ভূমিকা পালন করছে। গত ১৩ই জুন ২০২৬ ইং শনিবার দ্বি-বার্ষিক সাধারন সভার পর গত ০৬/০৭/২০২৬ ই তারিখে দিনাজপুর ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ্যাড: মো: মেহবুব হাসান চৌধুরী নির্বাচনী তফশীল ঘোষনা করেন। সেই মোতাবেক গত ১১/০৭/২০২৬ ইং তারিখে ভোটার তালিকা প্রকাশ করেন। উল্লেখ, সেই ভোটর তালিকায় ৩২ জন সদস্যকে ভোটার করা হয়নি। এ বিষয়ে ডাকযোগে বা সরাসরি লিখিত অভিযোগ দিলে কোন ব্যাখ্যা প্রদান করেননি।
তিনি বলেন, ২০২৩ সালের দ্বি-বার্ষিক সাধারন সভায় অনুমোদিত সংশোধনী বিধান মোতাবেক গত ১৩/০৭/২০২৬ ইং তারিখে আমি মো: শাহনেওয়াজ ফিরোজ শুভ শাহ্ সাধারন সম্পাদক পদে, এ্যাড. মো: আব্দুল হাকিম সহ: সাধারন সম্পাদক পদে ও এ্যাড. শ্রী দিলীপ চন্দ্র পাল কোষাধ্যক্ষ পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে তা দাখিল করি। কিন্তু দুঃখের বিষয় গত ৩০/০৬/২০২৪ ইং তারিখের একটি ভূয়া নোটিশ দেখিয়ে আমি সহ আরো তিন জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। সেখানে সংশোধিন গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা বলে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। কিন্তু যে সংশোধিত গঠনতন্ত্র উল্লেখ করা হয়েছে তার কোন রেজুলেশন কপি আমাদেরকে দেয়া হয়নি। আদত ওই সংশোধনীর জন্য কোন সভা অনুষ্ঠিত হয়নি।
আমি গত ২১/১১/২০১৭ ই তারিখে দিনাজপুর ট্যাক্সেস বার এ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ লাভ করি। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী মোল্লা মোহাম্মদ শাফায়েত হোসেন আমার মাত্র ২০ দিন আগে ০১/১১/২০১৭ ইং তারিখ সদস্যপদ লাভ করেন। মোল্লা মোহাম্মদ শাফায়েত হোসেন ইতিপূর্বে গঠনতন্ত্র লংঘন করে তিনি দুইবার সহ-সাধারন সম্পাদক ছিলেন। তখন যোগ্যতা প্রয়োজন ছিল ১৫ বছর। অথচ তার যোগ্যতা ছিল মাত্র ২ বছর। তখন এই নির্বাচন কমিশনার তাকে বৈধ ঘোষনা করে। আপনাদের মাধ্যমে আমি নির্বাচন কমিশনারকে প্রশ্ন করতে চাই তখন তার নিয়ম বা গঠনতন্ত্র কোথায় ছিল ? আজ আমি প্রতিবাদ করার কারনে বিভিন্নভাবে হুমকির শিকার হচ্ছি। আমার কিছু হলে এই নির্বাচন কমিশনার দায়ী থাকবে। আমাদের সাথে যে অন্যায় হচ্ছে তার সমাধানের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকেও পত্র দিয়েছি।
কিন্তু এখনও বিষয়টি নিয়ে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি জানিয়ে তিনি এই নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ও নতুন তফশিল ঘোষনার দাবি জানান।