• বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
নাট্যলোকের নক্ষত্র-কাজী বোরহান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন কাহারোলে বাল্য বিবাহে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রংপুরে তথ্য অধিকার বিষয়ক অংশীজন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে “আমরা জুলাই যোদ্ধা” সংগঠনের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত  দিনাজপুরে ওয়ার্ল্ড ভিশনের বার্ষিক কার্যক্রম পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র অবস্থান কর্মসূচি এফপিএবি দিনাজপুর শাখা কার্যালয় ‘মেডিসিন কর্ণার’ উদ্বোধন দিনাজপুরে জিয়া মঞ্চের প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত ৫ দিনেও খোঁজ মেলেনি নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ যুবকের রিহ্যাব সেন্টারের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা পাবে প্রতিবন্ধীরা-ইউএনও মোকলেদা খাতুন

দিনাজপুরে দেশের বৃহত্তম ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত

খাদেমুল ইসলাম, দিনাজপুর / ৩০৯ জন দেখেছেন
আপডেট : শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬
দিনাজপুর গোর এ শহীদ বড় ময়দানে এশিয়ার বৃহত্তম ঈদুল ফিতরের জামাত। ছবি: পল্লীবার্তা

ভোরের শিশিরভেজা আলো যখন ধীরে ধীরে ছুঁয়ে দিচ্ছিল উত্তরের মাটি, ঠিক তখনই গড়ে শহীদ বড় মাঠ রূপ নিচ্ছিল এক অদৃশ্য আবেগের সমুদ্রে। দেশের বৃহত্তম ঈদুল ফিতরের জামাতের সেই বিস্তীর্ণ প্রান্তর যেন হয়ে উঠেছিল বিশ্বাস, ভালোবাসা আর আত্মসমর্পণের এক মহামঞ্চ।
সকাল নয়টায় অনুষ্ঠিত এই মহাজামাতে ইমামতি করেন মতিউর রহমান কাসেমী। আগের রাতের বৃষ্টির ছোঁয়ায় মাঠ কিছুটা সিক্ত থাকলেও মানুষের হৃদয়ের উষ্ণতায় সেই স্যাঁতসেঁতে ভাব যেন মিলিয়ে যায়। ভোরের প্রথম আলো ফোটার পর থেকেই সকাল সাতটা থেকে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত ও আশেপাশের জেলা থেকে ট্রেন ও বাসযোগে মুসল্লিদের আগমন শুরু হয়—যেন এক অদৃশ্য টানে, এক পবিত্র আহ্বানে সবাই ছুটে আসে।
নামাজ শুরুর আগে মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয় জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও পৌরসভা প্রশাসক মোঃ রিয়াজ উদ্দিনসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বিভিন্ন স্থান থেকে আগত মুসল্লিদের কণ্ঠে শোনা যায় গর্বের নরম উচ্চারণ—দেশের বৃহত্তম এই জামাতে অংশ নিয়ে নামাজ আদায় করতে পেরে তারা পরম তৃপ্ত। অনেকেই জানান, তারা নিজেদের দেশ, পরিবার এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করেছেন এবং বিশ্বাস করেন, সৃষ্টিকর্তা অবশ্যই তাদের এই প্রার্থনা কবুল করবেন।
দুই রাকাত নামাজ শেষে ইমামের খুতবা ছিল সংযম, আত্মশুদ্ধি ও মানবকল্যাণের আহ্বানে পরিপূর্ণ। এরপর অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ দোয়া—বাংলাদেশসহ সমগ্র মুসলিম বিশ্ব এবং বিশ্বের সকল মানুষের শান্তি ও কল্যাণ কামনায়। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি অবসানের জন্য মহান আল্লাহর কাছে বিশেষ প্রার্থনা জানানো হয়।
দোয়া শেষে মাঠজুড়ে এক অনন্য দৃশ্যের অবতারণা হয়—মুসল্লিরা কাঁধে কাঁধ রেখে, বুকে বুক মিলিয়ে কোলাকুলিতে মেতে ওঠেন। সেখানে ছিল না কোনো ভেদাভেদ, ছিল না কোনো দূরত্ব—শুধু ছিল ঈদের আনন্দ, ভ্রাতৃত্বের বন্ধন এবং এক অপূর্ব মানবিকতার দীপ্ত প্রকাশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন
bdit.com.bd