• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

ক্লাব বিশ্বকাপেও ৪৮ দল চায় ফিফা

স্পোর্টস ডেস্ক: / ২৩৩ জন দেখেছেন
আপডেট : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

জাতীয় দলের বিশ্বকাপের পর এবার ক্লাব বিশ্বকাপেও দলের সংখ্যা বাড়াতে চাইছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। তাদের পরিকল্পনা হলো, ৩২ দলের পরিবর্তে ৪৮টি ক্লাব নিয়ে ভবিষ্যতে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা। তবে ফিফার এই প্রস্তাবে একদমই রাজি নয় ইউরোপীয় ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা উয়েফা। অতিরিক্ত দলের অন্তর্ভুক্তি এবং ম্যাচের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তারা।

সম্প্রতি বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত উয়েফার সাধারণ সভায় যোগ দিয়েছিলেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই সভায় সুপার লিগ ও ক্লাব বিশ্বকাপসহ ফুটবলের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানেই ফিফা সভাপতি টুর্নামেন্টের পরিধি বাড়ানোর এই আগ্রহের কথা জানান। মূলত জাতীয় দলের বিশ্বকাপে যেমন ৪৮টি দল খেলবে, ঠিক একইভাবে ক্লাব বিশ্বকাপেও দলের সংখ্যা ৫০ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

ফিফা ২০২৯ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ থেকেই এই পরিবর্তন আনতে আগ্রহী। এই আসরটি স্পেন ও মরক্কোতে আয়োজনের চিন্তাভাবনা করছে তারা। যেহেতু এর পরের বছরই এই দুই দেশে মূল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে, তাই ক্লাবের এই আসরটিকে তারা ‘টেস্ট রান’ বা প্রস্তুতিমূলক টুর্নামেন্ট হিসেবে কাজে লাগাতে চায়। অবশ্য টানা দ্বিতীয়বার যুক্তরাষ্ট্রে টুর্নামেন্টটি আয়োজনের বিকল্প পথও খোলা রাখা হয়েছে।

এতদিন কেবল মহাদেশীয় চ্যাম্পিয়নদের নিয়েই স্বল্প পরিসরে ক্লাব বিশ্বকাপ হতো। তবে ২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো ৩২টি দল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বড় পরিসরে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করে ফিফা। যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে অনুষ্ঠিত ওই আসর নিয়ে বেশ সন্তোষ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। সেই আসরে উয়েফা থেকে সর্বোচ্চ ১২টি দল অংশ নিয়েছিল। ফাইনালে ইউরোপের দুই ক্লাব পিএসজি ও চেলসি মুখোমুখি হয় এবং শিরোপা ঘরে তোলে চেলসি।

দল বাড়ানোর এই পরিকল্পনায় উয়েফার আপত্তির মূল কারণ হলো ঠাসা ফুটবল সূচি। ব্যস্ত শিডিউল এবং অতিরিক্ত ম্যাচের চাপে খেলোয়াড়দের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার শঙ্কায় তারা এখনই ৪৮ দলের বিশ্বকাপে ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে না। উল্লেখ্য, উয়েফা নিজেই সম্প্রতি চ্যাম্পিয়নস লিগের প্লে-অফ পর্বে উত্তীর্ণ দলগুলোর জন্য চারটি ম্যাচ বাড়িয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক কোচ কার্লো আনচেলত্তিসহ অনেকেই মৌসুম শেষে খেলোয়াড়দের ওপর অতিরিক্ত চাপ ও বিশ্রামহীনতা নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন
bdit.com.bd