• বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
নাট্যলোকের নক্ষত্র-কাজী বোরহান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন কাহারোলে বাল্য বিবাহে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রংপুরে তথ্য অধিকার বিষয়ক অংশীজন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে “আমরা জুলাই যোদ্ধা” সংগঠনের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত  দিনাজপুরে ওয়ার্ল্ড ভিশনের বার্ষিক কার্যক্রম পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র অবস্থান কর্মসূচি এফপিএবি দিনাজপুর শাখা কার্যালয় ‘মেডিসিন কর্ণার’ উদ্বোধন দিনাজপুরে জিয়া মঞ্চের প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত ৫ দিনেও খোঁজ মেলেনি নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ যুবকের রিহ্যাব সেন্টারের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা পাবে প্রতিবন্ধীরা-ইউএনও মোকলেদা খাতুন

সাহাপাড়া খালের মহাকাব্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পদধূলিতে এক নতুন বদ্বীপের স্বপ্নগাথা

খাদেমুল ইসলাম, দিনাজপুর / ১২০ জন দেখেছেন
আপডেট : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

চৈত্র আসর বসানোর ঠিক আগমুহূর্তে, যখন তৃষ্ণার্ত মাটি এক আঁজলা জলের জন্য দীর্ঘশ্বাস ফেলে, ঠিক তখনই আশার আলোকবর্তিকা নিয়ে দিনাজপুরের কাহারোলে আসছেন জননেতা। আগামী ১৬ই মার্চ, ২০২৬, সোমবার; কাহারোলের আকাশ-বাতাস মুখরিত হবে এক নতুন ইতিহাসের ঘোষণায়। সাহাপাড়া খালের সেই রুদ্ধপ্রায় জলপথকে পুনর্জীবিত করতে এবং উত্তরবঙ্গের কৃষি-মানচিত্রে প্রাণের সঞ্চার ঘটাতে শুভ উদ্বোধন করতে আসছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এটি কেবল একটি খালের খনন নয়, এটি হলো ধমনীতে নতুন রক্তসঞ্চারের মতো এক দেশব্যাপী ‘খাল খনন বিপ্লবে’র এক রাজকীয় ও ঐতিহাসিক যাত্রারম্ভ।

​১. ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণ: প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্ব

​কাহারোলের বলরামপুর-সাহাপাড়া এলাকা আজ উৎসবের সাজে সজ্জিত। যে মাটি এক সময় পলি আর আগাছায় ঢাকা পড়ে তার জৌলুস হারিয়েছিল, সেই মাটিতে আজ নবপ্রাণের জোয়ার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর মূলত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সেই কালজয়ী “খাল খনন কর্মসূচি”র এক আধুনিক ও সমৃদ্ধ সংস্করণ। তাঁর সরাসরি তদারকিতে এই প্রকল্পের মাধ্যমে সারা দেশের প্রায় ২০,০০০ কিলোমিটার খাল খননের যে মহাপরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে, তার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছে এই ১২.২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সাহাপাড়া খাল।

​২. দৃশ্যপটে পরিবর্তনের রেখা: তথ্যচিত্রের কাব্যগাথা

​প্রধানমন্ত্রীর এই বলিষ্ঠ পদক্ষেপের ফলে এই অঞ্চলের কৃষি ও প্রকৃতিতে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে, তা নিপুণ কারুকার্যে সাজানো হয়েছে:

  • বন্যার অবসান: প্রায় ৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকার অভিশপ্ত জলাবদ্ধতা চিরতরে বিলীন হবে, যা কৃষকের চোখের জলকে হাসিতে রূপান্তর করবে।
  • সবুজ বিপ্লব: ১২০০ হেক্টর আবাদী জমিতে সেচ সুবিধা পৌঁছানোর মাধ্যমে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে প্রায় ৬০,০০০ মেট্রিক টন।
  • পরিবেশের বর্ম: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় খালের দুই পাড়ে রোপণ করা হবে হাজার হাজার বৃক্ষ, যা হবে এই জনপদের আগামীর অক্সিজেন ব্যাংক।

​৩. স্বপ্নের জলধারা: একটি সমৃদ্ধ জনপদের অঙ্গীকার

​সাহাপাড়া খালটি যখন তার পূর্ণ নাব্য ফিরে পাবে, তখন কাহারোলের মুকুন্দপুর থেকে পুনর্ভবা নদী পর্যন্ত এলাকা হয়ে উঠবে এক সমৃদ্ধির মহাসড়ক। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে স্থানীয় কৃষকদের মনে এখন সোনালী ফসলের হাতছানি। এই খনন কার্যক্রম সম্পন্ন হলে বর্ষার জল আর কৃষকের ঘাম—উভয়ই সার্থকতায় রূপ নেবে।

​প্রকৃতি ও মানুষের এই মিতালীতে সাহাপাড়া খাল হবে আধুনিক বাংলাদেশের একটি ‘মডেল’ প্রকল্প, যেখানে প্রযুক্তির উৎকর্ষের সাথে মিশে থাকবে মাটির মমতা।

উপসংহার: ১৬ই মার্চ কেবল একটি তারিখ নয়, এটি কাহারোলের মানুষের জন্য এক মাহেন্দ্রক্ষণ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরের মধ্য দিয়ে সাহাপাড়া খালটি হয়ে উঠবে উন্নয়নের এক প্রবহমান কাব্য, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে শস্য-শ্যামলা বাংলাদেশের জয়গান গেয়ে যাবে।

“মাটির গভীর থেকে জেগে ওঠা এই জলপথ, বয়ে আনবে মুক্তির গান—কৃষকের গোলা আর বাংলার প্রাণ।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন
bdit.com.bd