কাহারোলের বলরামপুর-সাহাপাড়া এলাকা আজ উৎসবের সাজে সজ্জিত। যে মাটি এক সময় পলি আর আগাছায় ঢাকা পড়ে তার জৌলুস হারিয়েছিল, সেই মাটিতে আজ নবপ্রাণের জোয়ার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর মূলত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সেই কালজয়ী “খাল খনন কর্মসূচি”র এক আধুনিক ও সমৃদ্ধ সংস্করণ। তাঁর সরাসরি তদারকিতে এই প্রকল্পের মাধ্যমে সারা দেশের প্রায় ২০,০০০ কিলোমিটার খাল খননের যে মহাপরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে, তার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছে এই ১২.২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সাহাপাড়া খাল।
প্রধানমন্ত্রীর এই বলিষ্ঠ পদক্ষেপের ফলে এই অঞ্চলের কৃষি ও প্রকৃতিতে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে, তা নিপুণ কারুকার্যে সাজানো হয়েছে:
সাহাপাড়া খালটি যখন তার পূর্ণ নাব্য ফিরে পাবে, তখন কাহারোলের মুকুন্দপুর থেকে পুনর্ভবা নদী পর্যন্ত এলাকা হয়ে উঠবে এক সমৃদ্ধির মহাসড়ক। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে স্থানীয় কৃষকদের মনে এখন সোনালী ফসলের হাতছানি। এই খনন কার্যক্রম সম্পন্ন হলে বর্ষার জল আর কৃষকের ঘাম—উভয়ই সার্থকতায় রূপ নেবে।
প্রকৃতি ও মানুষের এই মিতালীতে সাহাপাড়া খাল হবে আধুনিক বাংলাদেশের একটি ‘মডেল’ প্রকল্প, যেখানে প্রযুক্তির উৎকর্ষের সাথে মিশে থাকবে মাটির মমতা।
উপসংহার: ১৬ই মার্চ কেবল একটি তারিখ নয়, এটি কাহারোলের মানুষের জন্য এক মাহেন্দ্রক্ষণ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরের মধ্য দিয়ে সাহাপাড়া খালটি হয়ে উঠবে উন্নয়নের এক প্রবহমান কাব্য, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে শস্য-শ্যামলা বাংলাদেশের জয়গান গেয়ে যাবে।
“মাটির গভীর থেকে জেগে ওঠা এই জলপথ, বয়ে আনবে মুক্তির গান—কৃষকের গোলা আর বাংলার প্রাণ।”