• সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

গাজায় আট হাজার সেনা মোতায়েন করছে ইন্দোনেশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: / ৩৬৫ জন দেখেছেন
আপডেট : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
গাজায় আট হাজার সেনা মোতায়েন করছে ইন্দোনেশিয়া। ছবি- এপি

গাজায় আট হাজার সেনা মোতায়েন করছে ইন্দোনেশিয়া। ২০২৫ সালের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে যেসব দেশ গাজায় সেনা পাঠানোর বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছিল, সেগুলোর মধ্যে ইন্দোনেশিয়া প্রথম সেনা পাঠাতে যাচ্ছে।

 

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেসব সেনাকে গাজায় পাঠানো হবে, তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল মারুলি সিমানজুন্তাক। গাজায় মূলত চিকিৎসা ও প্রকৌশলগত কাজের দায়িত্বে থাকবেন তারা।

ইন্দোনেশিয়া গত মাসে ঘোষিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বোর্ড অব পিসে (শান্তি পরিষদ) যোগ দেয়। ওই পরিষদকে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠনের অনুমতি দিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। বাহিনীটি গাজার নিরাপত্তায় সীমান্ত পাহারা ও হামাসসহ গোটা এলাকাটি নিরস্ত্রীকরণে সহায়তা করবে।

আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে বোর্ড অব পিসের প্রথম বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এই বোর্ড গাজার নতুন টেকনোক্র্যাট সরকার ও যুদ্ধ-পরবর্তী গাজা পুনর্গঠন কার্যক্রমও তদারকি করবে।

ইন্দোনেশিয়ার সেনাদের ঠিক কখন পাঠানো হবে এবং তারা সেখানে কী কাজ করবেন, সেসব এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে মনে হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো গাজায় সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের বিষয়ে অটল। যদিও ট্রাম্পের বোর্ড অব পিসে যোগদানের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছে ইন্দোনেশিয়ার কিছু ইসলামিক গোষ্ঠী। কারণ গাজায় ইসরায়েলি হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে দেশটির মানুষ ক্ষুব্ধ।

সমালোচনার জবাবে প্রাবোও যুক্তি দিচ্ছেন, বৃহত্তম মুসলিম দেশ হিসেবে গাজায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা ইন্দোনেশিয়ার দায়িত্ব। এই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকটের ‘দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান’ নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে বলে মনে করেন তিনি।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম কান জানায়, দক্ষিণ গাজার রাফাহ ও খান ইউনিসের মধ্যবর্তী একটি এলাকায় ইন্দোনেশিয়ার কয়েক হাজার সেনার জন্য একটি ব্যারাক তৈরির জায়গা এরই মধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে।

তুরস্ক ও পাকিস্তানের মতো মুসলিম দেশগুলোও গাজায় সেনা পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে। তবে তারা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, তাদের সৈন্যরা কেবল শান্তিরক্ষী হিসেবে কাজ করবে। হামাসের নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় তারা কোনোভাবেই জড়াবে না।

ইসরায়েল এখনও গাজার কিছু অংশ দখলে রেখেছে। ফলে হামাস যদি তাদের অস্ত্র জমা দিতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীর জন্য গাজায় শান্তি বজায় রাখা কতটা সম্ভব হবে, সেটি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন
bdit.com.bd