• বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ

শিশু ও নারীর প্রতি সহিংসতা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন

কাশী কুমার দাস, দিনাজপুর: / ৫ জন দেখেছেন
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

দীপশিখার উদ্যোগে দেশে শিশু ও নারীর প্রতি সহিংসতা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে র‌্যালি-মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

১৬ জুন মঙ্গলবার সকালে কাহারোল উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে দীপশিখা পরিচালিত, সিডিডি এর সহযোগিতায এবং লিলিয়ান ফন্ডস এর অর্থায়নে ‘ম্যাপইন সিবিআর’ প্রকল্পের আওতায় প্রায় অর্ধশতাধিক প্রতিবন্ধী শিশু, যুবা, ইমপ্যাক্ট গ্রুপ ও কেয়ারগীভার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কাহারোল উপজেলা প্রাঙ্গনে একটি মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

শিশু ও নারীর প্রতি সকল ধরনের সহিংসতা, নির্যাতন ও বৈষম্য প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং যুবদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখার উদ্দেশ্যে এ ক্যাম্পেইনের আয়োজন। বিভিন্ন ফেস্টুন, স্লোগান, প্লেকার্ড ও ব্যানার সহ উপজেলা চত্তরে র‌্যালি করা হয়।

র‌্যালি শেষে উন্মুক্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো: আনিছুর রহমান বলেন,বর্তমান প্রক্ষাপটে সামাজিক ঐক্যজোট ও অভিভাবকের সচেতনতাই পারে শিশু ও নারী নির্যাতনার হার কমাতে । সেই সাথে সকল ডিজিটাল মিডিয়াকে এই বিষয়ে আরও সচেতনতামূলক প্রচারনার জন্যে আহ্ববান জানান।

দীপশিখা প্রকল্প সমন্বয়কারী হিমাংশু দেব দত্ত রায় বলেন, “অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে প্রতিবন্ধী যুবরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। শিশু ও নারীর প্রতি যেকোনো ধরনের সহিংসতা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনটি প্রতিবন্ধী যুবদের জন্য সামাজিক উন্নয়ন ও অ্যাডভোকেসিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের একটি অর্থবহ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে।

আলোচনা শেষে প্রতিবন্ধী শিশু, যুবা, ইমপেক্ট গ্রুপ ও তাদের কেয়ারগীভারদের সমন্বয়ে একটি স্মারকলিপি কাহারোল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোকলেদা খাতুন মীম বরাবর প্রদান করা হয়। ইউএনও সকল শিশু ও যুবাদের সাথে কুশল বিনিময় শেষে সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, “শিশু ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে প্রশাসন সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। প্রান্তিক পর্যায়ে এ রকম কার্যক্রম চলমান রাখা ও অভিভাবকগণকে আরও বেশী সচেতন হবার নির্দেশনা দেন।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ সমাজ নির্মাণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। স্থানীয় প্রশাসন ও কমিউনিটির যৌথ উদ্যোগে শিশু, ও নারী সুরক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে এমন কার্যক্রমগুলি আরও কমিউনিটি পর্যায়ে ছড়িয়ে দেবার আহ্ববান জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন
bdit.com.bd