• বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
নাট্যলোকের নক্ষত্র-কাজী বোরহান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন কাহারোলে বাল্য বিবাহে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রংপুরে তথ্য অধিকার বিষয়ক অংশীজন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে “আমরা জুলাই যোদ্ধা” সংগঠনের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত  দিনাজপুরে ওয়ার্ল্ড ভিশনের বার্ষিক কার্যক্রম পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র অবস্থান কর্মসূচি এফপিএবি দিনাজপুর শাখা কার্যালয় ‘মেডিসিন কর্ণার’ উদ্বোধন দিনাজপুরে জিয়া মঞ্চের প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত ৫ দিনেও খোঁজ মেলেনি নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ যুবকের রিহ্যাব সেন্টারের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা পাবে প্রতিবন্ধীরা-ইউএনও মোকলেদা খাতুন

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজায় ত্রাণ প্রবেশে ইসরায়েলের বাধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: / ১৫৫ জন দেখেছেন
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজায় ত্রাণ প্রবেশে ইসরায়েলের বাধা

যুদ্ধবিরতি চুক্তি থাকা সত্ত্বেও গাজা উপত্যকায় সমন্বিত মানবিক ত্রাণ সহায়তার প্রায় অর্ধেক আটকে দিচ্ছে বা বাধাগ্রস্ত করছে ইসরায়েল। সোমবার জাতিসংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ছয় দিনের ব্যবধানে কেবল অর্ধেকের কিছু বেশি ত্রাণবাহী মিশন সেখানে নির্বিঘ্নে কাজ করতে পেরেছে।

 

এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক মানবিক বিষয়াবলি সমন্বয়ের কার্যালয়ের (ওসিএইচএ) বরাত দিয়ে সতর্ক করে বলেন, মানবিক কার্যক্রমগুলো এখনো ‘উল্লেখযোগ্য বাধার মুখে পড়ছে।’ তিনি বলেন, ‘জর্ডান থেকে আসা চালানের ক্ষেত্রে এমন একটি পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে যেখানে একাধিকবার পণ্য নামানো ও ওঠানোর প্রয়োজন হয়।’

স্টিফেন ডুজারিক আরও জানান, মিসর থেকে কেরেম শালোম বা কারেম আবু সালেম হয়ে আসা চালানগুলোও উচ্চ হারে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হলেও ৪ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মিসর থেকে আসা চালানের ৬০ শতাংশেরও কম ওই ক্রসিং পয়েন্টে নামানো সম্ভব হয়েছে।’

গাজার অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জাতিসংঘের এই মুখপাত্র জোর দিয়ে বলেন, ‘ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের প্রয়োজন এমন মানবিক চলাচলগুলোও বাধার সম্মুখীন হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘৬ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সমন্বিত প্রায় ৫০টি এমন চলাচলের মধ্যে অর্ধেকের কিছু বেশি পুরোপুরি সম্পন্ন করা গেছে।’ তিনি আরও জানান, এর মধ্যে পাঁচটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে এবং ১১টি অনুমোদিত হলেও উল্লেখযোগ্য বিলম্ব ও অন্যান্য বাধার মুখে পড়েছে। ফলে দুটি মিশন কেবল আংশিকভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

ডুজারিক বলেন, ‘আর আজই আমাদের আরও দুটি আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।’ এই সীমাবদ্ধতাগুলো স্পষ্ট করতে এবং সমাধানের পথ খুঁজতে জাতিসংঘের দলগুলো ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

গত ১০ অক্টোবর থেকে গাজায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনপুষ্ট একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর রয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলের দুই বছরের এই যুদ্ধে ৭২ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজারের বেশি মানুষ।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি বাহিনী গোলাবর্ষণ ও গুলিবর্ষণের মাধ্যমে শত শত বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। এতে ৬০৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১,৬১৮ জন আহত হয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন
bdit.com.bd