• রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

হরমুজ প্রণালীর ব্যবস্থাপনায় ‘নতুন অধ্যায়’, ক্ষতিপূরণ দাবি খামেনীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: / ১০ জন দেখেছেন
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা হোসেইনি খামেনি

হরমুজ প্রণালীর ব্যবস্থাপনায় এক নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা হোসেইনি খামেনি। পাশাপাশি তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের সব ক্ষতিপূরণ আদায়ের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। যেকোনো নতুন আগ্রাসনের কঠোর জবাব দিতে তারা প্রস্তুত রয়েছেন বলেও তিনি সতর্ক করেন।

বৃহস্পতিবার এক শোকবার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার ৪০তম দিনে তার কার্যালয় থেকে এই বার্তা প্রকাশ করা হয়। বার্তায় সাবেক নেতার মৃত্যুকে ইরানি জাতির জন্য একটি ভারী ও ঐতিহাসিক আঘাত হিসেবে উল্লেখ করে বর্তমান পরিস্থিতিকে তার পথ ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালী প্রসঙ্গে খামেনি জানান, ইরান এই প্রণালীতে একটি নতুন কৌশলগত ধাপের দিকে এগোবে। তবে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ না করে তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালীর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতভাবেই একটি নতুন ধাপে প্রবেশ করবে।’

এছাড়া যুদ্ধক্ষতির আইনি ও বস্তুগত জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি। খামেনি বলেন, ‘আমাদের দেশে হামলা চালানো অপরাধী আগ্রাসীদের আমরা কিছুতেই বিনা শাস্তিতে ছেড়ে দেব না।’ সব ধরনের ক্ষতির পাশাপাশি নিহত ও আহতদের রক্তের ক্ষতিপূরণও দাবি করা হবে বলে তিনি জানান।

শনিবার থেকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় পাকিস্তানেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, যা দুই সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে। এই আলোচনার প্রস্তুতির মধ্যেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এমন বক্তব্য সামনে এলো। তেহরান জানিয়েছে, এই আলোচনার লক্ষ্য হলো সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়গুলো চূড়ান্ত করা, তবে এর অর্থ এই নয় যে সংঘাত শেষ হয়ে গেছে। যেকোনো ভুলের চূড়ান্ত জবাব দেওয়া হবে উল্লেখ করে খামেনি বলেন, ‘আমাদের হাত ট্রিগারেই আছে।’

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যৌথ হামলা চালানোর পর থেকে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ওই হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতাসহ অন্তত তিন হাজার মানুষ প্রাণ হারান। এর জবাবে ইরানও ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এতে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষতির পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজার ও বিমান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান, ইরান একটি কার্যকর ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব কি না, তা নির্ধারণে আলোচনা চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন
bdit.com.bd