দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় প্রত্যন্ত গ্রামের এক কৃষকের জমিতে অবৈধ ক্ষমতা প্রয়োগ করে ৪ বছর ধরে তার কৃষি জমি আবাদ করতে দিচ্ছে না সাত্তার বাহিনী। অবরুদ্ধ করে রেখেছে তার আবাদি জমি। জমিতে গেলে প্রাণনাশের শঙ্কায় রয়েছেন দরিদ্র কৃষক ফজলুর রহমানের পরিবার।
সরেজমিনে তথ্যচিত্রে প্রতিবেদনে জানা যায়, উপজেলার ৫ নং সুন্দরপুর ইউনিয়নের পয়েশ(গানপাড়া) গ্রামের দরিদ্র কৃষক ফজলুর রহমান(৫৫) স্ত্রী,দুই ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে ভ্যান চালিয়ে জীবিকা
নির্বাহ করে আসছিল। বয়সের তাড়নায় এখন সে আর ভ্যানগাড়ী চালাতে পারেননা।
কৃষকের দারিদ্রতা ও সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী আব্দুস সাত্তার,জহুরুল ইসলাম বাবু ও খয়বর আলীগং কৃষকের ৩২ বছর আগের কোবলাকৃত বসতবাড়ির উপর দিয়ে কোন প্রকার বিনিময় ছাড়া অবৈধভাবে রাস্তা দাবি ও জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার চাপ
প্রয়োগ করে। এতে কৃষক রাস্তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার উপর হামলা ও বসতবাড়ির যাতায়াতের পথ বন্ধ এবং তার স্বল্প পরিমাণের আবাদি কৃষি জমি চাষাবাদে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে স্থানীয় থানা পুলিশের সহায়তায় যাতায়াতের পথ খুলে দেওয়া হলেও
৪ বছর ধরে জমিতে কোন প্রকার আবাদ করতে পারছে না কৃষক ফজলুর রহমান।
ভুক্তভোগী কৃষক আরোও জানায় ঐ কৃষি জমি তার পিতা ১৯৪৯ সালে সাবকোবলা দলিল মূলে ক্রয় করে নামজারি ও খাজনাদি পরিশোধ এবং বিআরএস জরিপ সম্পন্ন করে ভোগ দখল
করে আসছেন। কিন্তু ছাত্তার বাহিনীকে তার বসতবাড়ির ভিতর দিয়ে রাস্তা না দেওয়ার কারণে কৃষকের কৃষি জমি অবরুদ্ধ করে রাখে। অভিযোগ আকারে ঘটনাটি বর্তমানে কাহারোল থানা পুলিশও অবগত রয়েছেন। দরিদ্র কৃষক ফজলুর রহমানের আকুতি
প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপে সাত্তার বাহিনী থেকে তার জমি উদ্ধার ও তার জমিতে চাষাবাদ করার প্রয়োজনীও ব্যবস্থা করার দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহলও।
এ ব্যাপারে সুন্দরপুর ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মানিক জানান,উভয় পক্ষের রাস্তা সংক্রান্ত জটিলতায় এর আগে শালীশ বৈঠক হয়েছিল। কিন্তু এটাকে কেন্দ্র করে ৪ বছর ধরে কৃষক জমি আবাদ করতে পারছে না এটা আমার জানা নেই।
-:সম্পাদকীয় কার্যালয়:-
নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুর রাজ্জাক
উপশহর, দিনাজপুর-৫২০০।
ই-মেইল ঠিকানা: pallibartadnj@gmail.com
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ: +৮৮০ ১৮১৬ ৯৪৫ ৭৪৪
© স্বত্ব সংরক্ষিত পল্লীবার্তা© ২০২৫