Pallibarta.com | প্রাণ ফিরতে শুরু করেছে ইফতার বিক্রিতে - Pallibarta.com

সোমবার, ১৬ মে ২০২২

প্রাণ ফিরতে শুরু করেছে ইফতার বিক্রিতে

প্রাণ ফিরতে শুরু করেছে ইফতার বিক্রিতে রেস্টুরেন্টের পাশাপাশি অস্থায়ী দোকান বসিয়েও ইফতার বিক্রি করেন অনেকে

করোনা সংক্রমণ কমে আসায় ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে সবকিছু। এর মধ্যেই শুরু হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। গত দুই বছর করোনা সংক্রমণ বেশি থাকায় তার প্রভাব পড়েছে রোজার মাসেও। করোনা বিধিনিষেধের কারণে মৌসুমি ইফতার বিক্রেতারা সেভাবে বিক্রি করতে পারেননি সেসময়। তবে এবছর আর সেই পরিস্থিতির কারণে মধ্যে পড়তে হচ্ছে না। ফলে রাজধানীর মৌসুমি ইফতার বিক্রেতারাও সেভাবে প্রস্তুতি নিয়েছেন। বাহারি ইফতারের পসরা নিয়ে বসেছেন তারা। তবে রমজানের শুরুতে সেভাবে ক্রেতা সমাগম এখনো ঘটেনি বলে জানান তারা।

মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে একাধিক ইফতার বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এমনটি জানা গেছে।

গত দুই বছর করোনার কারণে রেস্টুরেন্ট পরিচালনায় ছিল নানা বিধিনিষেধ। মানুষও প্রয়োজন ছাড়া বাইরের ইফতার কেনায়ও সচেতন ছিলেন। তবে এবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় রেস্টুরেন্টগুলোতে ইফতার বিক্রি শুরু হয়েছে। সারাবছর রেস্টুরেন্টে নিয়মিত খাবার-দাবার থাকলেও রোজায় বাহারি ইফতার বিক্রি হয় রেস্টুরেন্টে।

আবার রেস্টুরেন্টের পাশাপাশি অস্থায়ী দোকান বসিয়েও ইফতার বিক্রি করেন অনেকে। তাদেরই একজন দেলোয়ার হোসেন। রমনায় অস্থায়ী দোকান বসিয়ে ইফতার বিক্রি করেন তিনি।

দেলোয়ার বলেন, এখনো সেভাবে বিক্রি শুরু হয়নি। লোকজন কম কম আসছেন। সে কারণে বিক্রি কম। আবার মানুষের হাতে তেমন টাকাও নেই, সে কারণেও বিক্রি কম। একন প্রতিদিনি দুই হাজার টাকার মতো ইফতার বিক্রি হচ্ছে বলে জানান তিনি।

অপু হাসান বিজয় নামের আরেক ইফতার বিক্রেতা বলেন, রোজায় ইফতারের আইটেম হিসেবে ভাজাপোড়া খাবার বেশি বিক্রি হয়। তাই এ ধরনের ইফতার নিয়ে বসেছি।

রাজধানীর এসব অস্থায়ী দোকানে মূলত ভিড় করেন স্বল্প আয়ের মানুষেরা। পল্টনের একটি দোকানে ইফতার কিনতে আসেন মোহাম্মদ জহির। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, অফিসের লোকজনের জন্য ইফতার কিনতে আসলাম এখানে। কম দামে পাবো এই চিন্তা করেই এখান থেকে ইফতারের প্রয়োজনীয় জিনিস কিনলাম।

তবে অনেক ব্যবসায়ী ইফতার বিক্রি তেমন জমে না ওঠার কথা জানালেও কিছু কিছু জায়গায় ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। ঢাকা মেডিকেলের সামনে ইফতার বিক্রি করেন ইমরান হোসেন। ইফতারের আগে তার দোকানে বেশ ভিড় দেখা যায়।

ইমরান বলেন, প্রতিদিন ১২ থেকে ১৪ হাজার টাকার ইফতার বিক্রি করি। বেচাবিক্রি ভালোই হচ্ছে। ক্রেতাসমাগম বেশ ভালো বলে জানান তিনি।

অনেকে আবার বাড়তি বিক্রির আশায় পেঁয়াজু, আলুরচপসহ বিভিন্ন ধরনের ভাজাপোড়ার সঙ্গে খেজুর, আনারস, পেয়ারা, তরমজুও বিক্রি করেন। তবে এখনো সেভাবে বিক্রি বাড়েনি বলে জানান তারা। তাদেরই একজন রাজধানীর পুরানা পল্টনের আনারস বিক্রেতা মোহাম্মদ আলম। তিনি বলেন, গত দুই বছর ধরে এখানে বিক্রি করছি। বিক্রি তেমন ভালো না। দিনে এক হাজার থেকে ১২শ টাকা বিক্রি হচ্ছে এখন।

আরো পড়ুন ...

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১