Pallibarta.com | জেল থেকে রায়হানের স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব এসআই আকবরের! - Pallibarta.com

মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১

জেল থেকে রায়হানের স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব এসআই আকবরের!

জেল থেকে রায়হানের স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব এসআই আকবরের!

জেল থেকে রায়হানের স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব এসআই আকবরের!
সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে নিহত রায়হানের স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধান আসামি পুলিশের বরখাস্ত এসআই আকবর। সম্প্রতি এক ফেসবুকে পেজে রায়হানের মায়ের দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য দেন।

তিনি জানান, শনিবার (৩ অক্টোবর) তাকে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়। ফেসবুক পেজের লাইভে রায়হানের মা জানান, প্রশাসনের এক ব্যক্তিকে দিয়ে আমার বউমাকে সে বিয়ে করার প্রস্তাব পাঠায়। পাশাপাশি আমার বউমা, নাতি, ও আমার ভরণপোষণের দায়িত্ব নেবে বলে জানায়। আমি তার প্রস্তাব ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছি।

এদিকে পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে নিহত রায়হান হত্যা মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেছেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। এ ছাড়া পলাতক আরেক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। গত বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) চার্জশিট গ্রহণ করে এ আদেশ জারি করেন আদালত।

এর আগে, গত ৫ মে আলোচিত এ হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করে পিবিআই।

গত বছরের ১০ অক্টোবর মধ্যরাতে সিলেট মহানগর পুলিশের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে রায়হান আহমদকে নির্যাতন করা হয়। ১১ অক্টোবর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে রায়হানের স্ত্রীর করা মামলার পর মহানগর পুলিশের একটি অনুসন্ধান কমিটি তদন্ত করে ফাঁড়িতে নিয়ে রায়হানকে নির্যাতনের সত্যতা পায়। ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ চারজনকে ১২ অক্টোবর সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়।

১৩ অক্টোবর পুলিশি হেফাজত থেকে পালিয়ে যান আকবর। পলাতক আকবরকে গ্রেপ্তারের দাবিতে আন্দোলন গড়ে উঠলে ৯ নভেম্বর সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধরা পড়ার পর আকবর বলেছিলেন, তিনি পালিয়ে ভারত চলে গিয়েছিলেন।

আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ৫ মে আলোচিত এ মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয় মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। অভিযোগপত্রে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা এসআই (সাময়িক বরখাস্ত) আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে (৩২) প্রধান অভিযুক্ত করা হয়।

অন্য অভিযুক্তরা হলেন-সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আশেক এলাহী (৪৩), কনস্টেবল মো. হারুন অর রশিদ (৩২), টিটু চন্দ্র দাস (৩৮), ফাঁড়ির ‘টুইআইসি’(সেকেন্ড-ইন-কমান্ড) পদে থাকা সাময়িক বরখাস্ত এসআই মো. হাসান উদ্দিন (৩২) ও এসআই আকবরের আত্মীয় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সংবাদকর্মী আবদুল্লাহ আল নোমান (৩২)।

আরো পড়ুন ...

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১